নয়াপল্টনে বৈশাখি অনুষ্ঠানে খালেদা

172598_1


পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

শুক্রবার বিকেল পৌনে ৫টায় জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) আয়োজিত বৈশাখি আয়োজনে অংশ নেন তিনি।

জাসাস সভাপতি অধ্যাপক মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস ও সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত রয়েছেন।

দেশের খ্যাতিমান শিল্পীরা অনুষ্ঠানে সঙ্গীত পরিবেশন করছেন। পাশাপাশি সিনিয়র নেতারা বক্তব্য রাখছেন।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

তুরস্কের ঐতিহাসিক গণভোটে অগ্নি পরীক্ষার মুখোমুখি এরদোগান

172601_1


অনেক সুবিশাল মসজিদের মতোই প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান ইস্তাম্বুলের সর্বোচ্চ পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করছেন। তার সমর্থকদের আশা রবিবারের গণভোট হচ্ছে তুরস্কের পুনর্নির্মাণে এরদোগানের কর্মজীবনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত।

এই গণভোটে লক্ষ লক্ষ তার্কি ভোটার সিদ্ধান্ত নিবে তারা সংসদীয় গণতন্ত্রের পরিবর্তে সর্বময় ক্ষমতা দিয়ে প্রেসিডেন্সি পদ্ধতি প্রতিস্থাপন করবেন কিনা।

প্রায় এক শত বছর আগে অটোমান সাম্রাজ্যের ধ্বংসস্তূপ থেকে আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই নির্বাচন দেশটির শাসন পদ্ধতিতে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

ন্যাটোর সামরিক জোটের দুটি মুসলিম সদস্যদের একটি হচ্ছে তুরস্ক। এছাড়াও দেশটি বিশ্বের বিভিন্ন বিষয়াবলির অন্যতম কেন্দ্রস্থল। সাম্প্রতিক সময়ে এসব বিষয় আরো বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এরমধ্য গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি হচ্ছে সিরিয়া ও ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, ইউরোপের অভিবাসী সংকট এবং মস্কো ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে আঙ্কারার পরিবর্তিত সম্পর্ক।

গণভোটের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্য দেশটির ৮০ মিলিয়ন জনগণ বিভক্ত হয়ে গেছে। এই বিভাজন ইউরোপে বৃহৎ তুর্কি প্রবাসীদের মধ্যও ছড়িয়ে পরেছে।

নিরাপত্তার অজুহাতে ইউরোপীয় দেশগুলোতে প্রচারণা নিষিদ্ধ করায় এরদোগান ইউরোপীয় নেতাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি তাদের এই কর্মকে নাৎসিবাদের সঙ্গে তুলনা করেন।

অন্যদিকে তার বিদেশি বিরোধীরা বলছেন তারা এব্যাপারে সতর্ক পর্যবেক্ষণ করছেন।

এরদোগানের সমর্থকেরা তার এই প্রচেষ্টাকে তুরস্কের পুনর্নির্মাণে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। তারা মনে করছেন এরদোগানকে ক্ষমতা দেয়া হলে তিনি জনজীবনে ইসলামি মূল্যবোধ ফিরিয়ে আনাসহ, ধর্মনিষ্ঠ কর্ম পরিবেশ তৈরি এবং বিমানবন্দর, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ইত্যাদি বিষয়ে সামগ্রিক উন্নয়ন করতে সক্ষম হবেন।

অন্যদিকে, বিরোধীরা এটিকে দেখছেন প্রেসিডেন্টের অধীনে কর্তৃত্ববাদ হিসেবে। তাদের ধারণা এরমাধ্যমে ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণু দেখানো হবে এবং আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের প্রতিষ্ঠিত ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিকে ধীরে ধীরে দুর্বল ও অকার্যকর করে দেয়া হবে। একই সঙ্গে পশ্চিমা গণতন্ত্র ও বাক স্বাধীনতার মূল্যবোধ থেকে আরো দূরে সরে যাবে।

এরগিন কুলোস্ক (৬৫) নামে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার ও ইস্তাম্বুলের মসজিদ সমিতির প্রধান বলেন, ‘গত ১৫ বছরের মধ্যে তিনি (এরদোগান) তুরস্কের জন্য বলতে গেলে প্রায় সব কিছুই অর্জন করেছেন; যা একসময় সবার কাছে অসম্ভব ও অচিন্তনীয় বলে মনে হতো। বৃহৎ সেতু, সমুদ্রতলদেশীয় টানেল, রাস্তা, বিমানবন্দর ইত্যাদি সব কিছুই তিনি নির্মাণ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘তার সবচেয়ে বড় গুণ হচ্ছে তিনি মানুষের হৃদয়কে স্পর্শ করতে পারেন। আমি তাকে সাম্প্রতিক একটি বিশাল সমাবেশে দেখেছি। তিনি রাজনীতির জন্য এসব করছেন না। এগুলো আসে তার অন্তর থেকে।’

কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী উদারপন্থী, বামপন্থী কুর্দি এবং এমনকি কিছু জাতীয়তাবাদীসহ এরদোগানের বিরোধীরা এটিকে তাদের অস্তিত্বের হুমকি বলে মনে করছেন।

নুরতেন কায়েকান নামে ইজমিরের উপকূলীয় শহর ইজিয়েনের একজন গৃহিনী (৬১) বলেন, ‘তিনি (এরদোগান) প্রজাতন্ত্র এবং আতাতুর্কের উত্তরাধিকার ধ্বংস করতে চাচ্ছেন।’

তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ ভোট জয়ী হলে আমরা বিশৃঙ্খলার মধ্য পড়ে যাব। তিনি কেবল দেশের অর্ধেক মানুষের প্রেসিডেন্ট হবেন।’

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

চোখের জলে ভিজল কাঁটাতারের বেড়া

c74dd46aebef4e4228b84af6daa56c32-58f0b0a749ba1


মা-মেয়ের। আনন্দে-আবেগে দুজনের চোখ বেয়ে নেমে এল জল। হলো কুশলবিনিময়ও। কিন্তু পরস্পরকে ছুঁয়ে দেখার সৌভাগ্য হয় না তাঁদের। কেননা, দুজনের মধ্যে ব্যবধান তৈরি করে দিয়েছে কাঁটাতারের বেড়া।

বেড়ার এপাশে (বাংলাদেশে) বৃদ্ধা মা সরলা রানী (৮০)। ওপাশে (ভারতে) মেয়ে ফুলমতি (৪০)। মা-মেয়েতে দেখা দীর্ঘদিন পর দেখা হলো। কিছুক্ষণ পরপরই দুজনই থেমে থেমে কেঁদে উঠছেন। ২০ বছর আগে বিয়ে হওয়ার পর থেকে পঞ্চগড় সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের উৎকুড়া বানিয়াপাড়া গ্রামের ফুলমতি (৪০) থাকছেন ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার ভক্তিনগর থানার আশিঘর গ্রামে। সরলা রানীর ভাষায়, ‘ওয় দুনিয়াত আসিবার (জন্ম) পর যেনং শরীরটা হালকা লাগিছিল, আইজকা দেখা হবার পর বুকটা ওনং আরও হালকা হইল। মনে হছে, বুকের উপর থিকা বড় একটা পাথর নামে গেল।’

একইভাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির ইজারউদ্দিন (৬০) এসেছেন পঞ্চগড়ের শামসুল হকের সঙ্গে দেখা করতে। দুজনে সম্পর্কে ভাই। যখন দেখা হলো, দুজনের চোখ বেয়ে গড়িয়ে এল জল। তারপর ছেলে-মেয়েসহ নানা বিষয়ে দুজন দুজনের খোঁজখবর নিলেন।

পয়লা বৈশাখে দুই দেশের সীমান্তে জড়ো হয়ে কুশল বিনিময় করেন দুই বাংলায় বসবাসকারী স্বজনেরা। ছবি: প্রথম আলোদুই দেশকে আলাদা করতে নির্মাণ করা হয়েছে কাঁটাতারের বেড়া। এ বেড়া ভূখণ্ডকে আলাদা করলেও দুই দেশের মানুষের হৃদয়কে বিভক্ত করতে পারেনি। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে পঞ্চগড়ের অমরখানা সীমান্তে কাঁটাতারের দুই পাশে দাঁড়িয়েই মনের ভাব প্রকাশ করেছেন দুই বাংলার মানুষ।

সদর উপজেলার অমরখানা বিওপির অমরখানা সীমান্তে ৭৪৩, ৭৪৪ ও ৭৪৫ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের মাঝে বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিনে আজ শুক্রবার এভাবেই হয় দুই বাংলার মানুষের অনানুষ্ঠানিক মিলনমেলা। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নির্ধারণকারী কাঁটাতারের দুই পাশ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত স্বজনদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এ সময় দেখা যায়, স্বজনদের দেওয়ার জন্য কেউ কেউ কাঁটাতারের ওপর দিয়ে বিস্কুট, চানাচুর, কোমল পানীয়, ইলিশ মাছ ও নতুন জামা কাপড় ছুড়ে দিচ্ছেন একে অপরকে। কেউ কেউ বেড়ার এপার-ওপার হাত নাড়িয়ে এবং উচ্চ স্বরে কথা বলে স্বজনদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। স্বজন ও পরিচিতদের দেখে আবেগে আপ্লুত হয়ে ওঠেন। অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে এ কান্না বিরহের নয়, মধুর মিলনের।

সীমান্তে দুই পাশে জড়ো হয়েছেন দুই বাংলার মানুষ। ছবি: প্রথম আলোসীমান্ত এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এদিন ভোর থেকে দুই দেশের বিভিন্ন প্রান্তের লোকজন এসে জড়ো হন। পয়লা বৈশাখ উপলক্ষ করে দীর্ঘদিন বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকা দুই দেশের লোকজন একে অপরের সঙ্গে দেখা করেন। স্বজনদের মিলনে আর দুই দেশের অগণিত মানুষের উপস্থিতিতে এখানে এক বিরল দৃশ্যের অবতারণা হয়। যেন এ দিনের অপেক্ষায় সবাই উন্মুখ ছিলেন। বাংলা বছরের প্রথম দিন এ দেশের মানুষ ওপার বাংলায় থাকা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করেন। যাঁরা অর্থাভাবে পাসপোর্ট, ভিসা করতে পারেন না, তাঁরা এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের পর তাঁদের অনেক আত্মীয়স্বজন ভারতীয় অংশে পড়েন। এর ফলে অনেকেরই যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এ কারণে তারা উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর অলিখিত সম্মতিতে প্রতিবছর বাংলা নববর্ষে সীমান্তবর্তী এলাকায় এসে দেখা সাক্ষাৎ করার সুযোগ পান।

ভারতের শিলিগুড়িতে থাকা আত্মীয়ের সঙ্গে দেখা করতে আসা পঞ্চগড়ের আবদুল লতিফ জানান, ‘প্রতিবছর বাংলা নববর্ষে ওপার বাংলায় থাকা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের খোঁজখবর নিই। খালাতো ভাইকে মাছ দিয়েছি, ওরা শাড়ি দিয়েছে।’ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘এদিন আমরা সীমান্তে জিরো লাইনে আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাৎ করি।’

পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল আল হাকিম মোহাম্মদ নওশাদ বলেন, প্রতিবছর পয়লা বৈশাখে অনুমতিক্রমে এই মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। ভারতের ১৫৫ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাঁটাতারের পাশে দুই দেশের নাগরিকদের দেখা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। বিজিবি সদস্যদের নজরদারিতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই লোকজন যে যাঁর মতো করে কুশল বিনিময় করেছেন। নির্ধারিত সময়ের পর সবাই যে যার গন্তব্যে চলে যান।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃদেশীয় মৈত্রী ট্রেন উদ্বোধন

ঢাকা-কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃদেশীয় মৈত্রী ট্রেন উদ্বোধন


ঢাকা কলকাতার মধ্যে চলাচলকারী আন্তঃদেশীয় মৈত্রী ট্রেন আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট রেলওয়ে স্টেশনে উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী এটি দেশবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি নববর্ষের উপহার বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি বলেন, আজ বিশেষ দিনে যাত্রীদের জন্য আরও একটি আরামদায়ক শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রেনটি চালু করা হলো। রেল খাত এগিয়ে চলেছে, নতুন নতুন কোচ ও ইঞ্জিন আনা হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীরা আরো উন্নত সেবা পাচ্ছে।
রেলমন্ত্রী এ সময় বলেন, রেল খাতে আরও অনেক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। সব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে রেলখাতের আমূল পরিবর্তন হবে।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মৈত্রী ট্রেন চলাচল করছে। আগে নন এসি ট্রেন চলাচল করত, আজ পয়লা বৈশাখ থেকে ট্রেনে সম্পূর্ণ এসি কোচ চলবে। বাসস।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী

নববর্ষের শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন প্রধানমন্ত্রী


নববর্ষে সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে বৈশাখের শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। আজ শুক্রবার সকালে গণভবনের সামনের মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সকলের সঙ্গে এক হয়ে এ শুভেচ্ছা ভাগাভাগি করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরা ছাড়াও সেখানে বিভিন্ন শ্রেণি ও পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিল। গণভবনের মাঠে তৈরি মঞ্চে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের সঙ্গে ইশারায় কথা বলেন। অনেকের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন। কথা বলেন সংগীত শিল্পী সুবীর নন্দীর সঙ্গেও। অসুস্থ সুবীর নন্দীর শারীরিক খোঁজ-খবর নেন প্রধানমন্ত্রী।

উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন বছরে দেশ আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। মানুষ বাস করবে আনন্দলোকে। দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে থাকুক। দেশে শান্তি বিরাজ করুক, আজকের দিনে এটাই প্রত্যাশা করি। ’ সেই সঙ্গে দেশের সকল মানুষ যে যেখানে রয়েছেন, তাদের সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা।

সকাল সাড়ে ১০টায় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সবার সঙ্গে প্রায় সোয়া একঘণ্টা সময় কাটান তিনি। গণভবনে শুভেচ্ছা জানাতে আসা সবাইকে নাড়ু, সন্দেশ, রসগোল্লা, মোনাক্কা ও খইসহ নানান ধরনের মিষ্টি জাতীয় নাস্তা দিয়ে আতিথেয়তা করা হয়।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

পুরো ক্ষমতা আল্লামা শফীর হাতে!

pm_44539_1491951838-1_51


কওমি মাদ্রাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসের সনদকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রির সমমান দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই সমমান দেওয়ার লক্ষ্যে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের সভাপতি (পদাধিকার বলে) ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা আহমদ শফীর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে গণভবনে কওমি মাদ্রাসা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক বৈঠকে এই স্বীকৃতির ঘোষণা দেওয়ার পর একদিনের মাথায় এই প্রজ্ঞাপন জারি হলো।

কমিটিতে বিভিন্ন মাদ্রাসা বোর্ডের প্রতিনিধিত্ব থাকলেও বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ (বেফাক) এর স্পষ্ট আধিপত্য দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে চেয়ারম্যান ছাড়াও একমাত্র কো-চেয়ারম্যান ও ৫ জন সদস্যসহ মোট ৭ সদস্য রাখা হয়েছে বেফাক থেকে। এর বাইরে পাঁচটি বোর্ডে বেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া-গওহরডাঙ্গা, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিসল কওমিয়া—চট্টগ্রাম, আযাদ দ্বীনি এদারা বোর্ড-সিলেট, তানজিমুল মাদারিসিল জওমিয়া-উত্তরবঙ্গ ও জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এর দুইজন করে প্রতিনিধি রাখার কথা বলা হয়েছে। এই ১৭ সদস্যের কমিটির বাইরে আরো সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্যকে কো-অপ্ট করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আল্লামা আহমদ শফীকে।

এই কমিটির তত্ত্বাবধানে দাওরায়ে হাদিসের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দাওরায়ে হাদিসের সিলেবাস প্রণয়ন, পরীক্ষা পদ্ধতি, প্রশ্ন প্রণয়ন, সনদ তৈরিসহ আনুসাঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

ক্রমেই পাল্টে যাচ্ছে বিএনপির রাজনীতির কৌশল!

1463406260


ক্রমেই পাল্টে যাচ্ছে বিএনপির রাজনীতির কৌশল। কয়েক মাস আগেও যেখানে বিদেশিদের ওপর নির্ভরশীলতার নীতিতে বিশ্বাসী ছিল বিএনপি সেখান থেকে আজ অনেকটাই দূরে সরে এসেছে। ধীরে ধীরে দেশের জনগণের ওপর নির্ভরতা আরো বাড়াচ্ছে। এমনটিই লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিএনপির সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, বছর খানেক আগেও বিএনপির ধারণা ছিল- বর্তমান ক্ষমতাসীনদের অগণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডে ভারতসহ বিশ্বের পরাশক্তিধররাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের বিষয়ে তাদের নীতি পাল্টাবে। কিন্তু তাদের সে ধারণার প্রতিফলন ঘটেনি। ফলে বিএনপি তাদের রাজনীতিতে হঠাৎ বড় ধরনের পরিবর্তন আনে। এরই অংশ হিসেবে তারা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে পথচলার চেষ্টা শুরু করে।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য লে. জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, জনগণই মূল ক্ষমতার উৎস, এটা ভুলে গেলে চলবে না। কোনো কিছু করতে হলে জনগণকেই সঙ্গে নিয়ে করতে হবে।

বিএনপি তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কী বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন এনেছে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে সহাবস্থান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ অবস্থানে বিএনপি সর্বদা বিশ্বাসী। ফলে সে অবস্থানের কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং কখনো হবে না। তবে যারা আগ্রাসন বিস্তার করতে চায় তাদের বিষয়ে বিএনপির অবস্থান আরো সুদৃঢ় মনোভাব। কোনো মতেই এদেশে কারো আগ্রাসন চালাতে দিবে বিএনপি।

মাহবুবুর রহমানের এই বক্তব্যে প্রতিফলন লক্ষ্য করা যাচ্ছে বিএনপির অন্য শীর্ষ নেতাদের বক্তব্যেও। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া বুধবার সংবাদ সম্মেলনে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত সম্পর্কে কথা বলেছেন, বিশেষ করে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে ভারতের তত্কালীন সরকার (কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন সরকার) ‘ন্যক্কারজনকভাবে হস্তক্ষেপ’ করেছিল বলে খালেদা জিয়া সরাসরি অভিযোগ করেছেন।

খালেদা জিয়া জরুরি সংবাদ সম্মেলনটি ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি এবং সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য। তবে সংবাদ সম্মেলনে রাখা বিএনপি চেয়ারপারসনের লিখিত বক্তব্যের বেশিরভাগ জুড়েই ছিল ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এবং বর্তমানেও ভারত সরকারের ভূমিকা কেন্দ্রিক।

লিখিত বক্তব্যে খালেদা জিয়া বলেছেন, ২০১৪ সালে কলঙ্কিত ও প্রহসনের নির্বাচনের প্রাক্কালে ভারতের তদানীন্তন সরকার বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়ে খুবই ন্যক্কারজনকভাবে হস্তক্ষেপ করেছিল। ভারতের তদানীন্তন পররাষ্ট্র সচিব (সুজাতা সিং) বাংলাদেশ সফরে এসে ক্ষমতাসীনদের প্রহসনের নির্বাচনের নীল-নকশা বাস্তবায়নে প্রকাশ্যে ভূমিকা পালন করেছিলেন। সে কারণে বাংলাদেশের অধিকাংশ নাগরিক মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন, নির্বাচনী প্রহসনের মাধ্যমে ভারতের বিগত সরকারই আওয়ামী বলয়ের শাসন ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করার ক্ষেত্রে সরাসরি সহায়তা করেছে এবং তাদের প্রত্যক্ষ সমর্থনেই এদেশের জনবিচ্ছিন্ন সরকার ক্ষমতায় টিকে রয়েছে। ফলে  ভারতের অবস্থান এখনো বদলায়নি।

এদিক বিবেচনায় বিএনপি ভারতনীতিতে তাদের অবস্থান অনেকটাই বদলে দিচ্ছেন। নব্বইয়ের দশকে বিএনপি ভারতবিরোধী ভূমিকা নিয়ে যে ধরনের লাভবান হয়েছিল তারা সেটা এখন অনেকটাই পুনর্মূল্যায়ন করছেন। কারণ এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী ভারতের আগ্রাসন সম্পর্কে সচেতন, আগে থেকেই তারা ভারতবিরোধী মনোভাব পোষণ করে আসছে বলে ধরে নেয়া হয়। ফলে দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর এ মনোভাবকে কাজে লাগাতে বিএনপি ফের তাদের আগের অবস্থানেই ফিরছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা বাণীতেও বেগম খালেদা জিয়ার তেমন মনোভাবই লক্ষ্য করা গেছে।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

শাকিব পুরোপুরি সুস্থ, বাসায় ফিরবেন বিকেলে

172581_1


ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এখন পুরোপুরি সুস্থ। শুক্রবার বিকেলে তিনি বাসায় ফিরবেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও প্রযোজক মোহাম্মদ ইকবাল।

হঠাৎ বুকে ও ঘাড়ে ব্যথা অনুভব করায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন জনপ্রিয় এই অভিনেতা।

মোহাম্মদ ইকবাল বলেন, ‘ডাক্তার জানিয়েছেন, শাকিব গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছিলেন। আগামী চার দিন টানা বিশ্রাম করতে বলেছেন। আজ বিকেলে শাকিব খানের বাসায় ফেরার কথা রয়েছে।’

‘চিকিৎসাধীন শাকিব দেশবাসীর কাছে নিজের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়েছেন। পাশে থাকার জন্য সবার কাছে ধন্যবাদ জানিয়েছেন,’ বলেন ইকবাল।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে শাকিব খান ল্যাবএইড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান।

এর আগে গত সোমবার একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সরাসরি অনুষ্ঠানে অপু বলেন, ‘শাকিবের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল। বিয়ের সময় আমার নাম পরিবর্তন করা হয়েছিল। আমার নাম রাখা হয়েছিল অপু ইসলাম খান। বিয়ের সময় শাকিবের ভাই ও একজন প্রযোজক উপস্থিত ছিলেন। তার কারণেই বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল।’ আব্রাহাম খান জয় নামের তাদের শিশুসন্তানকেও অনুষ্ঠানে নিয়ে আসেন তিনি।

এ ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় শাকিব খান বলেন, তিনি সন্তানের দায়িত্ব নেবেন। পুরো বিষয়টি তিনি বাংলা ছবির ইন্ডাস্ট্রি এবং তার তারকা ইমেজকে ধ্বংস করে দেওয়ার বিশাল চক্রান্ত হিসেবে দাবি করেছিলেন।

তবে পরদিন শাকিব খান বলেন, ‘চিত্রনায়িকা অপু আমার স্ত্রী আর আব্রাহাম আমারই সন্তান। অপুকে কেউ ভুল বুঝিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করেছে।’

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

বুবলী আমার স্বামীর জন্য পাগল : অপু

apu_bubli20170413183723


ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাস মাঝে দীর্ঘদিন অন্তরালে চলে যাওয়ায় শাকিব খানের বিপরীতে জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন বুবলী। অপু দেশে আসার পর গত ১৮ মার্চ বুবলী তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শাকিব খানের সঙ্গে একটি গ্রুপ ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন ‘ফ্যামিলি টাইম’। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বুবলীকে ফোন করে তিরস্কার করেন অপু। সম্প্রতি শাকিবের সঙ্গে বিয়ে ও সন্তানের কথা প্রকাশ করেন অপু। বিষয়টি বর্তমানে টক অব দ্য টাউন। বুবলী এ প্রসঙ্গে অপুকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। আজ ১৩ এপ্রিল অপু বিশ্বাসের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের আলাপকালে বুবলীকে ‘পাগল’ বলে অভিহিত করেন অপু। এ সময় অপু বিশ্বাস  বলেন, ‘আমার স্বামীর পরিচয়, তিনি একজন হিরো এবং স্টার। তার প্রফেশন লাইফে ফ্যামিলি হস্তক্ষেপ করবে এটা কখনোই আমি চাইনি। এখনো চাচ্ছি না। বুবলী কেন, শাকিব তো অনেক অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করেছে। বুবলী কোনো সমস্যা নয়। কিন্তু মেয়েটা সব সময় আমাদের পারিবারিক বিষয়ে ঢুকে যায়। সমস্যাটা এখানে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা স্বামী-স্ত্রী, সন্তান নিয়ে যখন কথা বলছি তখন তার স্ট্যাটাস দেয়ার কি দরকার ছিল? বুবলী যদি আমাদের সাথে থেকে স্টার হতে চায় হোক না। এমন সময় সামনে আসতেই পারে যেদিন আমি, শাকিব কাজ করবো সেও আমাদের সঙ্গে কাজ করবে।’ ‘বুবলী সব সময় আমাদের পারিবারিক বিষয়ে নাক গলিয়ে যাচ্ছে। এটা হাস্যকর। আমার কাছে মনে হয় মেয়েটার মাথা ঠিক-ঠাক নেই। একবার আমি তাকে ওয়ার্নিংও দিয়েছি। ও মনে হয় ভুলে গেছে আমি শাকিবের স্ত্রী।’ বলেন অপু। এ অভিনেত্রী আরো বলেন, ‘শাকিব কিন্তু স্বীকার করেছেন সে আমার কথা মেনেই কাজ করছেন। এখন উপায় নেই কারণ আমি ফ্যাট। আর বাচ্চাটা অনেক ছোট। তাই বাধ্য হয়ে শাকিবের অন্যদের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে। এতে আমার আপত্তি নেই। থাকার কথাও না। আমি শুধু বুবলীকে একটা কথা বলতে চাই, সে যেন ভবিষ্যতে আমাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো রকম নাক না গলায়।’ তিনি বলেন, ‘বুবলী পাগল, আমার স্বামীর জন্য পাগল, এজন্য আমি অনেক খুশি। শাহরুখ খানের স্ত্রী যেমন খুশি, তার স্বামীর জন্য অনেকে পাগল, আমি তেমনি খুশি আমার স্বামীর জন্য বুবলী পাগল। আমি গর্ব বোধ করি, আমার স্বামী একজন সুপারস্টার। তার জন্য মেয়েরা পাগল হবে এতেই আমি খুশি।’ তিনি আরো বলেন, ‘শাকিব অনেক ভালো মনের মানুষ। দীর্ঘ নয় বছর আমাকে অনেক সম্মানের সাথে রেখেছেন এবং স্ত্রীর মর্যাদা দিয়েছেন। আমি যা বলেছি তা শুনেছেন। আর আমি যেটা করেছি সেটা আমার সন্তানের নিরাপত্তার প্রয়োজনে করেছি। বাচ্চা বড় হয়ে যেন না জানে, আমরা লুকিয়ে আছি। এজন্যই আমার বলা। শাকিবকে টার্গেট করে বা তার ক্ষতি করে কিছু করার ইচ্ছে ছিল না। শাকিব তো আমারই একটা অংশ। সে ভালো থাকুক। আল্লাহ তাকে হেদায়েত দান করুন। তাকে যেন সুস্থ বুদ্ধি ও সুস্থ জ্ঞান দেন, এই দোয়া করি।’ গত ১০ এপ্রিল সাংবাদমাধ্যমে শাকিব খান-অপু বিশ্বাসের বিয়ে ও তাদের সন্তানের খবর প্রকাশের পর শুরু হয় আলোচনা। এরপরই শাকিব খান সন্তান আব্রাহাম খান জয়কে মেনে নিলেও স্ত্রী হিসেবে অপুকে মেনে নিবেন না বলে জানান। তিনি তখন বলেছিলেন, অপুকে বিয়েই করেননি। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার মুখে পরেন শাকিব। দেশব্যাপী সমালোচনার ঝড় ওঠে। এরপর গত ১১ এপ্রিল টেলিভিশন লাইভ অনুষ্ঠানে শাকিব খান জানান, তিনি তার সন্তানের পাশাপাশি স্ত্রী অপুকেও মেনে নিয়েছেন এবং তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি

আনসার বিদ্রোহে চাকরিচ্যূতদের পুর্নবহালে হাইকোর্টের রায়

212029_141


বাইশ বছর আগে আলোচিত আনসার বিদ্রোহের পর চাকরিচ্যুত ২৮৯ জনের মধ্যে যাদের সরকারি চাকরির বয়সসীমা রয়েছে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স শেষ হয়েছে তাদের শুধু পেনশন সুবিধা (যতদিন চাকরিতে ছিল ততদিনের) দিতে বলা হয়েছে। আজ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন। আদালতে আনসার সদস্যদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মো: জাহাঙ্গীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সূচীরা হোসাইন ও প্রতিকার চাকমা। ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পুনর্বহাল হওয়া ব্যক্তিরা চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন পাবেন। ১৯৯৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন দাবি দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে বিদ্রোহের রুপ নেয়। সেনাবাহিনী, বিডিআর ও পুলিশের সহযোগিতায় ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ ঘটনার পর কিছু সংখ্যক আনসার সদস্য পলাতক হয়। পরে মোট দুই হাজার ৬৯৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে কর্মকর্তারা চাকরিতে পুনর্বহাল হন। বাকী দুই হাজার ৪৯৬ জন আনসার সদস্যকে অ-অঙ্গীভূত (চাকরিচ্যুত) করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক সাতটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এর মধ্যে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। অভিযুক্তরা বিচারে খালাস পান। এ অবস্থায় তারা চাকরি ফিরে পেতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। কিন্তু তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে নেয়া হয়নি। এ কারণে রুহুল আমিন, মোজাম্মেল হকসহ ২৮৯ জন চাকরি পুর্নবহাল ও প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর আনসার সদস্যদের চাকরিচূত কেন অবৈধ ও বেআইনী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি