A Latest Crime Report Bengali Newspaper
রবিবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ইংরেজি, ৫ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ

আনসার বিদ্রোহে চাকরিচ্যূতদের পুর্নবহালে হাইকোর্টের রায়

212029_141


বাইশ বছর আগে আলোচিত আনসার বিদ্রোহের পর চাকরিচ্যুত ২৮৯ জনের মধ্যে যাদের সরকারি চাকরির বয়সসীমা রয়েছে তাদের চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। তাদের মধ্যে যাদের চাকরির বয়স শেষ হয়েছে তাদের শুধু পেনশন সুবিধা (যতদিন চাকরিতে ছিল ততদিনের) দিতে বলা হয়েছে। আজ বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি মো. বদরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দিয়েছেন। আদালতে আনসার সদস্যদের পক্ষে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ মো: জাহাঙ্গীর হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সূচীরা হোসাইন ও প্রতিকার চাকমা। ব্যারিস্টার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পুনর্বহাল হওয়া ব্যক্তিরা চাকরিতে যোগদানের পর থেকে বেতন পাবেন। ১৯৯৪ সালের ৩০ নভেম্বর থেকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে বিভিন্ন দাবি দাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। যা পরবর্তীতে বিদ্রোহের রুপ নেয়। সেনাবাহিনী, বিডিআর ও পুলিশের সহযোগিতায় ওই বছরের ৪ ডিসেম্বর বিদ্রোহ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এ ঘটনার পর কিছু সংখ্যক আনসার সদস্য পলাতক হয়। পরে মোট দুই হাজার ৬৯৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারির মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশে কর্মকর্তারা চাকরিতে পুনর্বহাল হন। বাকী দুই হাজার ৪৯৬ জন আনসার সদস্যকে অ-অঙ্গীভূত (চাকরিচ্যুত) করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পৃথক সাতটি ফৌজদারি মামলা করা হয়। এর মধ্যে ১৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। অভিযুক্তরা বিচারে খালাস পান। এ অবস্থায় তারা চাকরি ফিরে পেতে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। কিন্তু তাদের চাকরিতে ফিরিয়ে নেয়া হয়নি। এ কারণে রুহুল আমিন, মোজাম্মেল হকসহ ২৮৯ জন চাকরি পুর্নবহাল ও প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। ২০১৫ সালের ১২ অক্টোবর আনসার সদস্যদের চাকরিচূত কেন অবৈধ ও বেআইনী ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।

 

সিডর/শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৭ ইংরেজি